অংকুরোদগম

অংকুরোদগম

অঙ্কুরোদগম
আশিক আল জাবির
............
আমিও একদিন,
উচ্ছাসিত প্রণয়ের বীজ বপন করবো;
উজাড় দেহে, দু মুঠো ভরে দেবো
জলের মায়ার এক ফোটা জল,
জোস্না আলোর এক তরঙ্গ আলো.
যখন তার অঙ্কুরোদগম ;
হ্নদয়ের বেড়াজালে, স্বচ্ছ,সত্য
ভালবাসা দেবো এক জীবন.
যেদিন সে গুল্ম হবে;
তাকে পাশে বসিয়ে এক সহস্র তারা গুনবো.
হঠাত, হালকা বাতাসের লজ্জাবতী ছোঁয়াতে,
ফিরে চাইবো তার বদনে, ড্যাবড্যাবিয়ে.
আর তার যৌবনে?
আপন করে নেবো এক বুক আলিঙ্গনে
প্রণয় থেকে পরিণয়ে;
একটা ছায়াতে আগলে রাখবো,
আমার ছায়াতে.
যদি তার নিধনে
আকাশের তারা হবো,
সেদিন হয়তো কেউ তার প্রিয়জনের পাশে বসে
আকাশ পানে চেয়ে বলবে,
এক সহস্র এক, এক সহস্র দুই.........
ভালবাসা কেবল সম্পাদান কারক!!

ভালবাসা কেবল সম্পাদান কারক!!

একটা মানুষ আসলেই খুব ভাগ্যবান বা ভাগ্যবতী যখন কেউ তাকে সত্যিকার অর্থে ভালবাসে.
তা হতে পারে আপনি কাউকে বা কেউ আপনাকে, হোক একটা ছেলে কোন মেয়েকে বা কোন মেয়ে একটা ছেলেকে.
এখন ভালবাসা কি এটা আগে বুঝতে হবে,
একশত টাকার একটা নোট আমরা উল্টায়ে, পাল্টায়ে কতবার চেক করে দেখি আসল না নকল, সেই টাকার কোন মূল্য আছে কিনা,
অথচ ভালবাসা টা আমরা বুঝি না,একেক জনার কাছে একেক রকম। ভালবাসা নিয়ে আমরা পড়াশুনা করিনা,ভালবাসা টা আমরা পরখ করে দেখি না, কি অদ্ভুত!!
হর হামেশা আমরা মিথ্যা প্ররোচনা এর স্বীকার হয়,
অনেকটা মিথ্যা নকল টাকার মত, ভুলে কারো পকেটে ঢুকলেও একসময় তা অচল বলেই গন্য হয়,
আর তখন আমরা প্ররোচনা(ভুল) এর স্বীকার হয়, আবার প্ররোচনা(ভুল) এর স্বিকারের অর্থ আমার নিজের ভালবাসা টাও সত্যিকার ছিলো না,
কারণ দুইটা,
১, যদি আমার খুব অমূল্য সম্পদ হারিয়ে যায়, তাহলে আমি নিজেকেই ভালবাসতে জানতাম না, আমি অন্ধ ছিলাম,
২, আমার অমূল্য সম্পদ যদি কেউ নিয়ে যায়, তাহলে আমি তার অনুতাপ কেনো করবো? আমি তো তাকে ভালবাসি.
তার মানে ভালবাসা এর কোন জয়, পরাজয় নেই, কাছে পাওয়া বা দুরে হারানোর কোন ভয় নেই,
ভালবাসা উদার, ভালবাসা নিজের সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালবাসা সুখি হওয়ার কারণ হওয়া
আর এখানেই আমাদের জানার, জ্ঞানের পরিধি সীমাবদ্ধ,
আমরা জয়ী হতে না পারলে পাগল হয়, আমাদের মাথা নস্ট হয়, বিপথগামী হয়ে যায়,
অথচ তার প্রতি আমার দুর্নিবার, অদম্য প্রেষণা তা ক্ষান্ত,
অদ্ভুত, আমি কাউকে ভালবাসি, সে ও বুঝলো না, আবার আমি তাকে ভালবাসি আমি নিজেও বুঝলাম না,
জীবনের এই সুন্দর বিষয় টা আরেকটু ভালভাবে জানতে পড়তে পারেন
দ্যা ফাইভ সাইন লাভ ল্যাংগুয়েজ.
আপনি কেনো লক্ষ্যে পৌছাতে পারছেন না , তার কারণ জেনে নিন।

আপনি কেনো লক্ষ্যে পৌছাতে পারছেন না , তার কারণ জেনে নিন।

একটা প্রশ্ন যদি করি? আপনার তো জীবনের Aim ছিলো এই হওয়া, ঐ হওয়া, এই করা, ঐ করা, তাহলে আপনি কেনো আপনার Aim এ পৌঁছাতে পারেন নি, বা পারছেন না,??
আমারা প্রতিনিয়ত অনেক প্লান সাজাই, সেমিনার করি, প্রতিশ্রুতি রাখি, কিন্তু দিনশেষে আমরা বেশিরভাগ হতাশা নিয়ে ফিরি,
কিন্তু কেনো??
আজকে এর কারণ গুলো বলবো,
আসলে আমাদের Aim যা আছে তা ঠিক আছে, Aim থাকা পর্যন্ত ঠিক আছে, কিন্তু তার সাথে যেইটার অভাব তা হচ্ছে ডেডিকেশন(Dedication), ধরুন আমার লক্ষ্য আজ কাওরানবাজার থেকে বেগুন কিনবো, বাজার যাচ্ছি কিন্তু যেতে যেতে সাভার বাজারে গিয়ে দেখি একই বেগুন ১০ টাকা কমে পাচ্ছি, খুব খুশি হয়ে কিনে নিলাম আর কাওরানবাজার না গিয়ে বাসায় চলে আসলাম,
এসে দেখি ও,,মা বেগুনে তো পোকা, অর্থাৎ ভাল বেগুন না!!
আরেকটু সহজ উদাহরণ দেয়, আমার স্বপ্ন ভাল ইঞ্জিনিয়ার হওয়া, আমি ম্যাথ খুব ভাল পারি, ইংরেজি তে কথা বলা আমার জন্য সহজ, আর আমার স্বপ্ন একজন ইঞ্জিনিয়ার হওয়া, কিন্তু মাঝখানে একটা এনজিও তে ২০ হাজার টাকায় চাকরি পেয়ে গেলাম,
কিসের আর কি! শুরু করে দিলাম চাকরি, দুই তিন বছর পর এনজিও টা ঝুলে গেলো, আর আমার স্বপ্ন গুলোও,
হ্যা ভাই, ঠিক এভাবেই আমাদের Aim বা স্বপ্ন গুলো আমরা নিজের হাতে নস্ট করি, কারণ আমাদের ইচ্ছে বা একটা তথাকথিত Aim থাকলেও যথেস্ট ডেডিকেশন নেই! আর এখানেই আমাদের মৃত্য,
আবার দেখুন কিছু বিষয় আরো মর্মাহত, আপনার ইচ্ছে ভাল ইন্টারপ্রিনিয়র হওয়া, নিজের মেধাকে প্রমাণ করা, কিন্তু আপনি বা আমি কি করি, সমাজের কিছু ফেইলার দের কথার উপর ভিত্তি করে নিজেকে থমকে রাখি, তারা বলে, এই ক্ষতি হবে, এটা কোন কাজ? সম্মান আছে এই কাজে?? ইত্যাদি ইত্যাদি নেগেটিভ, ডি মোটিভেশনাল কথা শুনে আমরা আমাদের ইচ্ছার বা লক্ষ্যের ইতি টানি,
এখানেও আমাদের ডেডিকেশন নেই!
আবার ধরুন আমার Aim সায়েন্টিক হওয়া কিন্তু আমি একটা ক্যালকুলেটর কিনতে অনাগ্রহী, হতে পারে আমার টাকা নেই,এটা একটা ইস্যু
কিন্তু সত্যি কথা কি জানেন? টাকা নেই এটা ফালতু কথা, আসল কথা আমার ডেডিকেশন নেই,
জ্বী হ্যা ভাই, আজকে নিজেকে সামলে নিয়ে, কিছুটা ত্যাগ স্বীকার করে নিজের aim নিজের স্বপ্নের প্রতি invest. করুন
কাল আপনার স্বপ্ন বা আপনার Aim আপনাকে সুমিস্ট ফল দেবে.
আর আজ আপনি নিজের Aim বা স্বপ্ন কে পাশে রেখে নিজেকে সাজাতে যান, সাময়িক ভাবে আনন্দিত হলেও সময়ের আবর্তনে আপনাকে অনুতপ্ত হতে হবে,
So Invest your wisdom.
উপমা...........................

উপমা...........................

উপমা
আশিক আল জাবির
.............
মন আজ বিষম অমিতব্যয়ী
স্পন্দিত, দ্বিধাগ্রস্ত.
বিশ্বাস করো, এতোটা চিন্তান্বিত পূর্বে হইনি.
একবেলা,সারাবেলা শুধু ভেবেছি;
শঙ্কিত হয়েছি, যদি উপমা অবনমিত হয়!
আচ্ছা,তোমাকে যদি বদ্ধ জলাশয়ের ধারে কোন শুভ্র কাশফুল বলি,
তাহলে কি উপমা খর্ব হবে?
অথবা;
ঘুটঘুটে অন্ধকারে, এক আলোকবর্ষ দুরের কোন উজ্জ্বল তারা বলি,
তাহলেও কি কম হবে?
উফফফফ, ভাবতে ভাবতে আমি পরিশ্রান্ত.
আমাকে ক্ষমা করো,
ক্ষুদ্র কাব্যিক হ্নদয়ে আমি তোমার সুন্দরতার উপযোক্ত কোন উপমা খুজে পাইনি
রিলেশন ব্রেক হওয়ার পেছনে বিজ্ঞানসম্মত কারণ- পর্ব ১

রিলেশন ব্রেক হওয়ার পেছনে বিজ্ঞানসম্মত কারণ- পর্ব ১

জীবন কে আরেকটু সুন্দর করে সাজানোর প্রয়াসে, সুন্দর জীবন সঙ্গী নির্বাচলে, ডিপ্রেশন থেকে মুক্ত থাকার প্রয়াসে ব্লগ টি লিখছি।
লেখাটি টিনেজার থেকে শুরু করে পরবর্তি সকল শ্রেণীর জন্য।কথা দিচ্ছি নতুন কিছু থাকবে ব্লগটিতে,
আমরা জানি ‘সমস্যা চিহ্নিত করায় সমাধানের অর্ধেক’
চেস্টা করেছি বিজ্ঞানসম্মত ভাবে চিহ্নিত করতে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ‘রিলেশন’ ব্রেক হয়ার পেছনের কারণ ।
আলোচনার বিষয় ছেলে এবং মেয়েদের মেন্টালিটি নিয়ে, তাদের যে চিন্তার ধরণ আলাদা আলাদা তা প্রমাণ করবো ইনশা আল্লাহ।
‘এক শ্রেণীর ছেলেরা বা পুরুষেরা মনে করে যে, মেয়েরা ভাল ছেলের সাথে রিলেশন বন্ড করে না বরং তারা কোন উগ্র,বাজে ছেলের সাথে রিলেশন বন্ড করে’।
আসলে সে পুরুষ এই কথা দ্বারা বোঝাতে চাই যে সে একজন ভাল ছেলে, এবং কোন বিশেষ মেয়ের প্রতি তার প্রবল আসক্তি আছে,মানে সে ভীষণভাবে দূর্বল।
আপনি যদি এ পর্যন্ত এসে থাকেন তাহলে অনুরোধ করবো সম্পূর্ণ ব্লগ টি পড়তে।
আলোচনার ফিরে আসি,
এখানে চিন্তার বিষয় উক্ত পুরুষ কি আসলেই ভাল?, বা ভাল ছেলে বলতে সে কি বোঝাচ্ছে?, অথবা আসলেই কি মেয়েরা বাজে ছেলের সাথে রিলেশন করে? বা বাজে ছেলে বলতে কি বোঝায়?
তাহলে একটা বিষয় এখানে আসে উক্ত মেয়েটা যদি কোন্ ক্রমে সেই ছেলের সাথে রিলেশন বন্ড করে, তাহলে সে কি তখন ভাল ছেলে থেকে বাজে ছেলে হয়ে যাবে?? লজিক আছে না? হাহাহা
আসুন এবার ব্যাখ্যা করি,
প্রথমে ছেলেদের মেন্টালিটি নিয়ে বলি তারা কেনো এমন কথা বলে বা যে বা যাহারা এ ধরনের কথা বলে তারা কেনো এমন আচরণ করে?
ছেলেদের মেন্টালিটি একটা রাবার বেন্ড এর মতো, মানে ইলাস্টিক টাইপের। একটা রাবার বেন্ড দুই হাতের তর্জনী ও বৃদ্ধ আংগুল দিয়ে ধরে টান টান করে ধরুন একবার, কি দেখলেন?
রাবার বেন্ড এর মধ্যো একটা চাপ কাজ করছে আপনার এক হাত আরেক হাতের কাছে যাওয়ার জন্য বেশ বল প্রয়োগ করছে,
অর্থাৎ রাবার বেন্ড এর দুরত্ব বজায় থাকলে এরা কাছে আসার জন্য বল প্রয়োগ করে।
এবার রাবার বেন্ড টা ঢিলা দিন মানে দুই হাত কে কাছে আসতে দিন, এবার কি দ্দেখলেন? আর কোন বল আছে রাবার বেন্ডের মধ্যো??? একদম ই কিন্তু নেই!!! বা আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে।
ছেলেদের মেন্টালিটি অনেক টা এমন এখন বলের জায়গা তে বিভিন্ন শব্দ কল্পনা করুন, যেমন বর্তমান যুগের প্রেম, তাহলে কি দাঁড়াচ্ছে? একটা ছেলে যখন কোন মেয়ে থেকে দুরত্ব বজায় থাকছে তখন সে সবচেয়ে বেশি বল দিয়ে কাছে আসতে চাইছে, আবার যখন মেয়েটা তাকে কাছে আসতে দিচ্ছে তখন সে তার বল হারাচ্ছে, তখন ছেলেটা আর আগের মত বল অনুভব করে না। তাহলে উপায়!!
মেয়েদের মেন্টালিটি তে বিষয় টি ক্লিয়ার হবে আশা করি , তার আগে সেই ছেলের কথাতে ফিরে আসি যে, মেয়েরা ভাল ছেলের সাথে রিলেশন বন্ড করে না,
আসলে সেই ছেলেটা এখানে তার বল প্রয়োগ করছে, এই বল টা থাকবে না ১০০% যদি, মেয়েটা সেই ছেলেকে সুযোগ দেয়।
১০০% বলার কারণ ব্যাখ্যা করেছি রাবার বেন্ড দিয়ে, তাছাড়া আরেকটি বিষয় তার ভালবাসা যদি সম্পাদান কারক হতো তাহলে সে এভাবে ভাবতো না।
এবার মেয়েদের মেন্টালিটি নিয়ে কথা বলি, এটা রিড করা আসলেই বেশ মজার কেননা এখানে জটিলতা আছে, আপনার ভাবনার চেয়ে এরা একটু ফাস্ট।
একবার একটা মেয়েকে নিয়ে মেন্টালিজমের উপর একটা ম্যাজিক দেখানোর সময় আমি তাকে যা রীড করেছিলাম সে তার ১৮০ ডিগ্রী উল্টো আচরণ করেছিলো, ম্যাজিকে ট্রিক ইউজ করে সেবার পার পেয়েছিলাম।
মেয়েদের মেন্টালিটি টা ভয়ংকর সুন্দর কোন সমুদ্রের ঢেউ এর মতো, এদের মস্তিস্ক একসাথে মাল্টি টাস্ক নিয়ে চিন্তা করতে পারে, চলমান কোন কাজের ভিন্ন ভাববাণী করে এরা ইউ টার্ণ নিতে পারে, এখানে পজেটিভ ,নেগেটিভ উভয় ই থাকতে পারে।
রাবার বেন্ডের স্বাভাবিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে অনেক রকমের অনেক প্রকার বল নিয়ে অনেক রাবার বেন্ড ই মেয়েদের কাছে আসতে চাই,
তখন মেয়েরা তাদের সবগুলো নিয়েই চিন্তা করে যেহেতু তারা মাল্টি টাস্ক নিয়ে ভাবতে পারে, তারা এমন কিছুর প্রতি ফিডব্যাক দেয় বা কাছে আসার সুযোগ দেয় ,যারা একটু ইউনিক ,এগ্রেসিভ, উপস্থাপনা তে কনফিডেন্ট।
এবার রাবার বেন্ড কাছে আসার সুযোগ পেয়ে তার নিজ ধর্ম অনুযায়ী সে বল হারায়, তখন মেয়েটা তার লজিক্যাল সেন্স থেকে ভাববাণী করে যে ছেলেটা তাকে আর আগের মতো ভাববাসে না, এখানে মেয়েটার অভিযোগ সত্য কিন্তু উপস্থাপন ভাব যথেস্ট না, ঢেউ তখন নিচের দিকে নেমে যায়, একশন/রিয়্যাকশন......
তারপর ? অংকুরে বিনাশ!!
এজন্য একটা সাধারণ বিষয় দেখবেন যারা তাদের প্রেমের জীবনে ব্যার্থ, মেয়েরা প্রেম করার পরে ব্যার্থ হয়েছে আর ছেলেরা প্রেম শুরু না করতে পেরে ব্যার্থ হয়েছে,
অর্থাৎ ছেলেরা তাদের দুরত্ব এর জন্য বল প্রয়োগ করে করে ক্লান্ত হয়ে ডিপ্রেসড আর মেয়েরা নিজের ওয়েভ ডাউন স্তরে নিয়ে নিজেকে ক্ষুন্ন করেছে।
তাহলে এখন সমাধান কি? সমাধানের জন্য বেশ কিছু ইউনিক কনসেপ্ট আছে, আপনি আগ্রহী হলে কমেন্ট করতে পারেন ,২য় পর্ব করবো ইনশা আল্লাহ
আমি এখন তুমি হয়েছি

আমি এখন তুমি হয়েছি

আমি এখন তুমি হয়েছিআশিক আল জাবির
..............................

আমি এখন তুমি হয়েছি,

তোমার মতো করে ভাবতে পারি,
সুন্দর করে নদীর পাড়ে হাটতে পারি.
আমিও এখন রাধাচূড়া ফুল খুব পছন্দ করি;
হলুদ রঙের রাধাচূড়া ফুল.
আমিও এখন রাত জাগি,
আমিও আকাশ পানে চেয়ে কাউকে নিয়ে স্বপ্ন দেখি,
আমি এখন তুমি হয়েছি.
গোর্কি

গোর্কি

গোর্কি
আশিক আল জাবির
...............
না কিনতে পারবো নতুন জামা,
না কিনে দিতে পারবো নতুন শাড়ী.
অনস্বিত্ব হাত
ঈদের বাজারটাও খুব চড়া;
এবারো বুঝি বেতন টা আগে পেলাম না!
উফফফ কি যে বেলা.
তবে একটা মেহেদী কিনবো;
চকচকে মোড়কে স্বস্তা কোন মেহেদী.
আমার উরুতে মাথা রেখে তুমি শুয়ে থাকবে,
আর আমি? নিজ হাতে তোমাকে মেহেদী লাগিয়ে দেবো;
একটা ফুল আঁকবো, লাল রাঙা কাশফুল!
আর ছোট্ট করে লিখবো, LOVE YOU.
হঠাত, বাইরে মেঘের গর্জন হলে, তুমি আমাকে জড়িয়ে ধরবে;
টিপটিপ বৃষ্টির জল চালা বেয়ে তোমার মেহেদী রাঙা হাত ভিজিয়ে দিলে
আমি সেই ঘাড়ের গামছাটা দিয়ে জল মুছে দেবো.
আর তোমার উদ্দীপ্ত ঠোটে আলতো করে চুম্বন আঁকবো.
তারপর??
তারপর, সুখের বিলে নাইয়ে
ক্লান্তি বেশে তুমি ঘুমিয়ে গেলে,
তোমার পানে চেয়ে স্বপ্ন সজাবো
নতুন জামা কেনার, নতুন শাড়ী কেনার
চকচকে মোড়কে দামী কোন মেহেদী কেনার.

অংকুরোদগম

অঙ্কুরোদগম আশিক আল জাবির ............ আমিও একদিন, উচ্ছাসিত প্রণয়ের বীজ বপন করবো; উজাড় দেহে, দু মুঠো ভরে দেবো জলের মায়ার এক ফোটা জল, জোস্...